TechaToè

Technology News,Updates & Reviews

Breaking

Tuesday, 16 May 2017

May 16, 2017

Do not Open any Video called "Dance of the Hillary" || Ransomeware cyber attack || Read the full article !!


Except africa all countries IT companies are hacked.
Please inform all contacts from your list not to open a video called the "Dance of the Hillary". It is a virus that formats your mobile. Beware it is very dangerous. They announced it today on  BBC radio. Fwd this msg  to as many as you can!
ATM 's will be closed for next 2-3 days probably, due to ransomeware cyber attack within India.
Don't use any online transactions today.

PREVENTION >>

1. First and foremost, be sure to back up your most important files on a regular basis.

Ideally, backup activity should be diversified, so that the failure of any single point won’t lead to the irreversible loss of data. Store one copy in the cloud, resorting to services like Dropbox, and the other on offline physical media, such as a portable HDD.
An efficient tactic is to toggle data access privileges and set read/write permissions, so that the files cannot be modified or erased. An additional tip is to check the integrity of your backup copies once in a while.
2. Personalize your anti-spam settings the right way.
Most ransomware variants are known to be spreading via eye-catching emails that contain contagious attachments. It’s a great idea to configure your webmail server to block dubious attachments with extensions like .exe, .vbs, or .scr.
3. Refrain from opening attachments that look suspicious.
Not only does this apply to messages sent by unfamiliar people but also to senders who you believe are your acquaintances. Phishing emails may masquerade as notifications from a delivery service, an e-commerce resource, a law enforcement agency, or a banking institution.
4. Think twice before clicking.
Dangerous hyperlinks can be received via social networks or instant messengers, and the senders are likely to be people you trust, including your friends or colleagues. For this attack to be deployed, cybercriminals compromise their accounts and submit bad links to as many people as possible.
5. The Show File Extensions feature can thwart ransomware plagues, as well.
This is a native Windows functionality that allows you to easily tell what types of files are being opened, so that you can keep clear of potentially harmful files. The fraudsters may also utilize a confusing technique where one file can be assigned a couple of extensions.
For instance, an executable may look like an image file and have a .gif extension. Files can also look like they have two extensions – e.g., cute-dog.avi.exe ortable.xlsx.scr – so be sure to pay attention to tricks of this sort. A standalone known attack vector is through malicious macros enabled in Microsoft Word documents.
6. Patch and keep your operating system, antivirus, browsers, Adobe Flash Player, Java, and other software up-to-date.
This habit can prevent compromises via exploit kits.
7. In the event a suspicious process is spotted on your computer, instantly turn off the Internet connection.
This is particularly efficient on an early stage of the attack because the ransomware won’t get the chance to establish a connection with its Command and Control server and thus cannot complete the encryption routine.
8. Think of disabling vssaexe.
This functionality built into Windows to administer Volume Shadow Copy Service is normally a handy tool that can be used for restoring previous versions of arbitrary files. In the framework of rapidly evolving file-encrypting malware, though, vssadmin.exe has turned into a problem rather than a favorable service.
If it is disabled on a computer at the time of a compromise, ransomware will fail to use it for obliterating the shadow volume snapshots. This means you can use VSS to restore the blatantly encrypted files afterwards.
9. Keep the Windows Firewall turned on and properly configured at all times.
10. Enhance your protection more by setting up additional Firewall protection.
There are security suites out there that accommodate several Firewalls in their feature set, which can become a great addition to the stock defense against a trespass.
11. Adjust your security software to scan compressed or archived files, if this feature is available.
12. Disabling Windows Script Host could be an efficient preventive measure, as well.
13. Consider disabling Windows PowerShell, which is a task automation framework.
Keep it enabled only if absolutely necessary.
14. Enhance the security of your Microsoft Office components (Word, Excel, PowerPoint, Access, etc.).
In particular, disable macros and ActiveX. Additionally, blocking external content is a dependable technique to keep malicious code from being executed on the PC.
15. Install a browser add-on to block popups as they can also pose an entry point for ransom Trojan attacks.
16. Use strong passwords that cannot be brute-forced by remote criminals.
Set unique passwords for different accounts to reduce the potential risk.
17. Deactivate AutoPlay.
This way, harmful processes won’t be automatically launched from external media, such as USB memory sticks or other drives.
18. Make sure you disable file sharing.
This way, if you happen to get hit, the ransomware infection will stay isolated to your machine only.
19. Think of disabling remote services.
Otherwise, the threat could rapidly propagate across the enterprise network, thus calling forth serious security issues for the business environment if your computer is a part it.
For example, the Remote Desktop Protocol can be leveraged by the black hat hackers to expand the attack surface.
20. Switch off unused wirelessconnections, such as Bluetooth or infrared ports.
There are cases when Bluetooth get exploited for stealthily compromising the machine.
21. Define Software Restriction Policies that keep executable files from running when they are in specific locations in the system.
The directories most heavily used for hosting malicious processes include ProgramData, AppData, Temp and Windows\SysWow.
22. Block known-malicious Tor IP addresses.
Tor (The Onion Router) gateways are the primary means for ransomware threats to communicate with their C&C servers. Therefore, blocking those may impede the critical malicious processes from getting through.
Since ransomware is definitely today’s number one cyber peril due to the damage it causes and the prevalence factor, the countermeasures above are a must. Otherwise, your most important files could be completely lost.
The key recommendation, though, is the one about backups – offline or in the cloud. In this scenario, the recovery consists of removing the ransom Trojan and transferring data from the backup storage.
Currently, dealing with the consequences of ransomware isn’t very promising from the file decryption perspective. That is why thwarting the virus attack can save you a pretty penny and guarantee peace of mind.

Friday, 12 May 2017

May 12, 2017

কেন ফেসবুক এর রং নীল ?? ::রহস্যটি কী !!


এর প্রধান কারণ জাকারবার্গ হলেন বর্ণান্ধ ৷৷


বিস্তারিত ::
ফেসবুকের রং সবসময় নিল কেন এ বিষয়টি নিয়ে কি চিন্তা করেছেন? জাকারবার্গ আংশিকভাবে বর্ণান্ধ। তিনি লাল ও সবুজ রং দেখতে পান না। তিনি একবার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘নিল আমার কাছে সবচেয়ে সমৃদ্ধ রং। আমি সবধরনের নিল দেখতে পাই। ’ পরে ফেসবুকের নিল রংটি এতো জনপ্রিয় হয়ে উঠে যে, ফেসবুক একসময় নিল রঙের নেইল পলিশ বিক্রিও শুরু করে। যার নাম ছিল ‘সোশ্যাল বাটারফ্লাই ব্লু। ’

Source: GOOGLE 
May 12, 2017

মানব মস্তিষ্ক সম্পর্কিত ২৩ টি অজানা তথ্য


১। মানুষের মস্তিকের প্রতি সেকেন্ডে ১০১৫ টি হিসাব করার ক্ষমতা আছে। 
২। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন প্রায় ৭০০০০ বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে সক্ষম |
৩। মস্তিষ্কে একশবিলিয়ন নিউরন রয়েছে।মানুষের নিউরনে তথ্য চলাচলের সর্বনিম্ন গতিবেগ হলো প্রায় ২৫৮.৪৯০ মাইল/ঘণ্টা।
৪।  মানব মস্তিষ্ক তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে ন্যূনতম ০.৫ মিটার সেকেন্ড থেকে সবচেয়ে বেশি ১২০ মিটার সেকেন্ড পর্যন্ত।
৫। একশ মাইল লম্বা শিরা রয়েছে মানব মস্তিষ্কে।
৬।  হাতির মস্তিষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের অপেক্ষা বৃহৎ হলেও হাতির মস্তিষ্ক তার দেহের ০.২৫ ভাগ যেখানে মানুষের মস্তিষ্ক তার দেহের ওজনের দুই ভাগ। এতে বোঝা যাচ্ছে
মানুষের মস্তিষ্কই সবচেয়ে বড়।
৭। একজন মানুষের ব্রেইন অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রানীর চেয়ে প্রায় ৩ গুন বড়।
৮। ব্রেইন মানুষের দেহের মোট আয়তনের মাত্র ২% হলেও দেহে উৎপন্য মোট শক্তির ২০ ভাগেরও বেশী খরচ করে সে একাই।
৯।  দেহের মোট অক্সিজেনের প্রায় ২০ ভাগ মস্তিষ্ক ব্যবহার করে থাকে।
১০।  অক্সিজেনের মতো প্রায় ২০ ভাগ রক্তই মস্তিষ্ক আদান-প্রদান করে।
১১।  মস্তিষ্কের ওজনের প্রায় দ্বিগুণ ওজন হচ্ছে মস্তিষ্কের আবরণ বা চামড়ার।
১২। মানব মস্তিস্কের প্রায় ৭৫ ভাগই পানি ।
১৩। বাচ্চা অবস্থায় একটি মানুষের মস্তিস্কের ওজন থাকে ৩৫০-৪০০ গ্রাম। প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় যা বেড়ে হয় ১৩০০-১৪০০ গ্রাম!
১৪।  জন্মের সময় থেকে মানব মস্তিষ্কপূর্ণাঙ্গ মানুষের মস্তিষ্কের আকৃতি নিয়ে আসে এবং মস্তিষ্কেরপ্রায় পূর্ণাঙ্গ কোষ নিয়েই আসে।
১৫। মস্তিষ্ক ১৮ বছর বয়সের পর বৃদ্ধি হয় না।
১৬। জাগ্রত থাকা অবস্থায় মস্তিস্ক প্রায় ২৫ ওয়াট পাওয়ার সৃষ্টি করে,যা একটি লাইট বাল্ব জালানোর জন্য যথেষ্ট
১৭। যখন আপনি জ্বরে আক্রান্ত হবেন তখন মনে রাখবেন মানুষের মস্তিষ্কের সর্বোচ্চ তাপ সহনীয় ক্ষমতা ১১৫.৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট এবং ততক্ষণ পর্যন্ত মানুষ বাঁচতে পারে।
১৮। যখন মানুষকে অত্যধিক চাপ সহ্য করতে হয় তখন মস্তিষ্কের কোষ, গঠন বা আকার এবং কাজ বাধাগ্রস্ত হয়।
১৯। অক্সিটোক্সিন নামক হরমোন মস্তিষ্ক থেকে ক্ষরিত হয় এবং ভালোবাসা এবং আত্মসংবরণের জন্য দায়ী।
২০।  যদি মস্তিষ্ক ৮ থেকে ২০ সেকেন্ড রক্ত না পায় তবে মানুষ জ্ঞান হারায়।
২১।  মস্তিষ্কে ব্যথা সংগ্রাহক কোনো অঙ্গ নেই তাই মস্তিষ্ক কখনো ব্যথা অনুভবকরে না।|
২২। একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মস্তিষ্ক অক্সিজেন ছাড়া মাত্র ৫ মিনিট টিকতে পারবে | ৫ থেকে ১০ মিনিট অক্সিজেন না থাকলে মস্তিষ্কের স্থায়ী সমস্যা দেখাদেয়।
২৩। মৃত্যুর ৫ মিনিটের মধ্যেই মস্তিষ্কের কোষগুলির মৃত্যু ঘটে
 SHARE & COMMENT IF YOU HAVE LEARNT 😊 !!
📥Source: Chhaya Prakashani ; Jano Aro Jano G.K. Book,Manorama YearBook 2011,Biswakosh,other quiz books,WBSE Life science text book of Santra,Google.
May 12, 2017

আশ্চর্য শিক্ষক কলম!! :: KIDS MASTER MAGIC PEN


একটি কলম আপনার সন্তানকে পড়াবে কারো 
সহযোগিতা ছাড়া
সত্যি বিষ্ময়কর ব্যাপার, যা আপনি কখনও ভাবেননি ঠিক তেমনি ... এটি হলো কিডস মাস্টার ম্যাজিক পেন। যা সিঙ্গাপুর, চীন, ও মালয়েশিয়ার প্রযুক্তিতে তৈরী, দেখতে কলমের মত হলেও এটি একটি মিসি কম্পিউটার। মাদারবোর্ড, র‌্যাম, প্রসেসর, মেমোরী সহ সবকিছু দিয়ে কলমের আকৃতিতে তৈরী করা হয়েছে। সাথে রয়েছে ছোটদের জন্য ছয় 6টি বই , 2 টি ইংলিশ , 1টি বাংলা, 1টি অংক , 1টি আরবি ও 1টি সাধারণ ঞ্জান। কলমটিতে বাংলা,ইংরেজি, আরবি, উর্দ্দু ও হিন্দিতে সঠিক ও নির্ভুল উচ্চারণে অমনোযোগী ছেলে মেয়েদের পড়াবে।
কলমটি 1বার চার্জ দিয়ে 2দিন পড়া যাবে এবং সাথে রয়েছে 1 বছরের ওয়ারেন্টি।৷


POST টি ভালো লাগলে কমেন্ট ও সেয়ার করবেন ৷৷

VIDEO OF THIS MAGIC PEN >>


Source: GOOGLE , YOUTUBE , WIKIPEDIA

Tuesday, 9 May 2017

May 09, 2017

পৃথিবীর সেরা দশ বুদ্ধিমান




>>বুদ্ধাঙ্ক কী ?
 বুদ্ধাঙ্ক হচ্ছে ব্যক্তির মানসিক বয়সের সাথে সময়ানুক্রমিক বয়স বা প্রকৃত বয়সের অনুপাত।
[FROM WIKIPEDIA BANGLA]
বুদ্ধাঙ্ক (IQ)   =  মানসিক বয়স/  প্রকৃত বয়স X১০০
আইকিউ টেস্টে সাধারণত এমন কিছু প্রশ্ন দেওয়া হয়, যেখানে প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান বা সাধারণ জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না। বিচক্ষণতা, দ্রুততা ও বুদ্ধিবৃত্তিক উত্তর প্রদানের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে আইকিউ নির্ধারণ করা হয়। 

১।পরিসংখ্যান অনুসারে বিশ্বে প্রায় অর্ধেক মানুষের আইকিউ ৯০- ১১০।  এর মধ্যে। এ সংখ্যাকে স্বাভাবিক ধরা হয়।
২।কারও আইকিউ সংখ্যা ১৩০-এর চেয়েও বেশি হলে তাকে বুদ্ধিমান বলা হয়। বিশ্বে ২.৫ শতাংশ মানুষের আইকিউ সংখ্যা ১৩০-এর উপরে।
৩।আইকিউ সংখ্যা ১৪০ ছাড়িয়ে গেলে তাকে প্রতিভাবান বলা হয়। বিশ্বে এ ধরনের মেধাবীর সংখ্যা মাত্র ০.৫ শতাংশ।
আবার এর চেয়েও অনেক বেশি আইকিউ স্কোরের অধিকারী মানুষও রয়েছেন। তেমনি বুদ্ধাঙ্কের উপর ভিত্তি করে বুদ্ধি প্রতিবন্ধি শনাক্ত করা যায়।
ওয়েলসার এবং টারম্যান নামে দুই জন মনোবিজ্ঞানী বুদ্ধাঙ্কের উপর ভিত্তি করে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীতা নির্ণয় করেছেন।
এই ক্ষেত্রে উনারা আদর্শায়িত বুদ্ধি অভীক্ষা ব্যবহার করেন। এই অভীক্ষায় একজন পরীক্ষক কর্তৃক একজন পরীক্ষণ পাত্রের বুদ্ধি পরিমাপ করা হয়। এইক্ষেত্রে  অভীক্ষার অন্তর্ভূক্ত বিষয়গুলো হলো- স্মৃতিশক্তি (Short term memory), শব্দের ব্যবহার (Vocabulary), নৈব্যক্তিক যুক্তি (Abstract Reasoning) , সাধারন তথ্য (General Information), গানিতিক যুক্তি (Numerical Reasoning), পরিমাপক। প্রতিটি সঠিক উত্তরের নম্বর যোগ করে সাফল্যাঙ্ক গণনা করা হয়। পরে তা একটি আদর্শ নমুনার সাথে তুলনা করা হয়। অভীক্ষা গ্রহণের সময় পরীক্ষাণ পাত্রের সমবয়সী একটি বিরাট দলকে আদর্শ নমুনা হিসাবে নির্বাচন করে তাদের গড় মান নির্ধারণ করা হয়।
ওয়েলসারের বুদ্ধি অভীক্ষা অনুযায়ী বুদ্ধি প্রতিবন্ধীতার স্তর-
১।     মৃদু বুদ্ধি প্রতিবন্ধী- এদের বুদ্ধাঙ্কে গড়ে ৭০-৫০ হয়। বিশেষ যতœ নিলে এরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।
২।     মধ্যম মাত্রার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী- এদের বুদ্ধাঙ্কগড়ে ৪৯-৩৫ হয়। এই ধরনের প্রতিবন্ধী শিশুদের অনেকের ডাউন সিন্ডোম থাকে। অনেকের শারীরিক বৈকল্যও থাকতে পারে।
৩।     গুরুতর মাত্রার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী- এদের বুদ্ধাঙ্ক ৩৪-২০। এদের জন্মগ্রহণের পরপরই শনাক্ত করা যায়।
৪।     চরম মাত্রার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী- এদের বুদ্ধাঙ্ক ২০ এর কম। এদের মধ্যে অধিকাংশ শিশুর শারীরিক ও অন্যান্য বৈকল্য থাকতে পারে।
আজ আমরা জানব  ক'জন মেধাবী মানুষের গল্প---



১০। স্টিফেন হকিং----

আইকিউ স্কোর- ১৬০
স্টিফেন হকিং। বর্তমান বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানী তিনি। এরপরও এ তালিকায় তার অবস্থান সবার নিচে। স্টিফেন হকিং ১০ নম্বরে আছেন কারণ তার আইকিউ স্কোর ১৬০। ১৯৪২ সালের ৮ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন এ মহান বিজ্ঞানী। বিশিষ্ট ইংরেজ তাত্তি্বক পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতজ্ঞ হিসেবে বিশ্বের সর্বত্র পরিচিত ব্যক্তিত্ব। হকিং ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের লুকাসিয়ান অধ্যাপক হিসেবে ১ অক্টোবর-২০০৯ তারিখে অবসর নেন। এ ছাড়াও তিনি ক্যামব্রিজের গণভিলি এবং কেয়াস কলেজের ফেলো হিসেবে কর্মরত আছেন। শারীরিকভাবে ভীষণরকম অচল এবং এ এল এসের জন্য ক্রমাগতভাবে সম্পূর্ণ অথর্বতার দিকে ধাবিত হওয়া সত্ত্বেও বহু বছর ধরে তিনি তার গবেষণা কার্যক্রম সাফল্যের সঙ্গে চালিয়ে যাচ্ছেন।পদার্থবিজ্ঞানে হকিংয়ের দুটি অবদানের কথা সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত। প্রথম জীবনে সতীর্থ রজার পেনরাজের সঙ্গে মিলে সাধারণ আপেক্ষিকতায় সিঙ্গুলারিটি সংক্রান্ত তত্ত্ব। হকিং প্রথম অনিশ্চয়তার তত্ত্ব ব্ল্যাক হোলের ঘটনা দিগন্তে প্রয়োগ করে দেখান যে ব্ল্যাক হোল থেকে বিকিরিত হচ্ছে কণাপ্রবাহ। প্রায় ৪০ বছর ধরে হকিং তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানের চর্চা করছেন। লিখিত পুস্তক এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির থেকে হকিং একাডেমিক জগতে যথেষ্ট খ্যাতিমান হয়ে উঠেছেন। তিনি রয়েল সোসাইটি অব আর্টসের সম্মানীয় ফেলো এবং পন্টিফিকাল একাডেমি অব সায়েন্সের আজীবন সদস্য।

৯।আইনস্টাইন-


আইকিউ স্কোর- ১৬০-১৯০
আলবার্ট আইনস্টাইনকে সর্বকালের অন্যতম সেরা বুদ্ধিমানদের একজন মানা হলেও এ তালিকায় তার স্থান নবম। জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী একজন নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি তার আপেক্ষিকতার তত্ত্ব এবং বিশেষত ভর-শক্তি সমতুল্যতার সূত্র আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। তিনি ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।আইনস্টাইন পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রচুর গবেষণা করেছেন এবং নতুন উদ্ভাবন ও আবিষ্কারে তার অবদান অনেক। সবচেয়ে বিখ্যাত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব বলবিজ্ঞান ও তড়িচ্চুম্বকত্বকে একীভূত করেছিল এবং আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব অসম গতির ক্ষেত্রে আপেক্ষিকতার তত্ত্ব প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন মহাকর্ষ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। ৭৬ বছর বয়সে ১৯৫৫ সালের ১৭ এপ্রিল তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

৮। জুডি পলগার-- 


আইকিউ স্কোর- ১৭০
১৯৭৬ সালের ২৩ জুলাই হাঙ্গেরিতে জন্মগ্রহণকারী জুড পলগার [Judi Polgar] সেরা বুদ্ধিমানদের তালিকায় দ্বিতীয় নারী। সম্মিলিত তালিকায় তিনি সপ্তম এবং মেয়েদের মধ্যে দ্বিতীয়। আর গ্যারি কাসপারভের পর এ তালিকার দ্বিতীয় দাবাড়ু তিনি। তাকে সর্বকালের সেরা মেয়ে দাবাড়ু মনে করা হয়। মাত্র ১৫ বছর বয়সেই সবচেয়ে কমবয়সী হিসেবে দাবায় গ্রান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন জুডি। যেটি প্রমাণ করে বাল্যকাল থেকেই অসীম মেধার স্বাক্ষর রেখেছিলেন তিনি। মেয়েদের মধ্যে তিনিই একমাত্র দাবাড়ু যে কি না বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়দের র্যাপিড বা ক্ল্যাসিকাল চেস এ হারিয়ে খ্যাতি অর্জন করেন।তার শৈশব কেটেছে সংগ্রামে সংগ্রামে। তার অন্য দুই বোনও দাবা খেলায় পারদর্শী ছিলেন। পরে জুডি তার মেধার জোরে গোটা পরিবারের ভাগ্য বদল করতে সমর্থ হন। অসীম মেধাবী জুডির আইকিউ স্কোর ১৭০, যা স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে অনেক অনেক বেশি।

৭। লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি—


আইকিউ স্কোর- ১৮০-১৯০
লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির জন্ম ইতালির ফ্লোরেন্সের অদূরবর্তী ভিঞ্চি নগরের এক গ্রামে ১৪৫২ সালের ১৫ এপ্রিল। তিনি ইতালীয় রেনেসাঁসের কালজয়ী চিত্রশিল্পী। অবশ্য বহুমুখী প্রতিভাধর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতজ্ঞ, সমরযন্ত্রশিল্পী হিসেবেও বিখ্যাত। তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে মোনালিসা, দ্য লাস্ট সাপার অন্যতম। তার শৈল্পিক মেধার বিকাশ ঘটে খুব অল্প বয়সেই। তার আইকিউ স্কোর ছিল ১৮০-১৯০ এর পর্যায়ে।আনুমানিক ১৪৬৯ সালে রেনেসাঁসের অপর বিশিষ্ট শিল্পী ও ভাস্কর আন্দ্রেয়া ভেরোচ্চিয়োর কাছে ছবি আকায় ভিঞ্চির শিক্ষানবিস জীবনের সূচনা। এ শিক্ষাগুরুর অধীনেই তিনি ১৪৭৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ে, বিশেষত চিত্রাঙ্কনে বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন। ১৪৭২ সালে তিনি চিত্রশিল্পীদের গিল্ডে ভর্তি হন এবং এ সময় থেকেই তার চিত্রকর জীবনের সূচনা হয়। ১৪৭৮ সাল থেকে ১৫১৬-১৭ ও ১৫১৯ সাল অর্থাৎ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রসারিত এবং বিভিন্ন পর্বে বিভক্ত, এক দীর্ঘ ও অক্লান্ত কর্মসাধনার জীবন তার। আনুমানিক ১৪৮২ সালে তিনি মিলান গমন করেন এবং সেখানে অবস্থানকালে তার বিখ্যাত দেয়াল চিত্র দ্য লাস্ট সাপার অঙ্কন করেন। আনুমানিক ১৫০০ সালে তিনি ফ্লোরেন্স ফিরে আসেন এবং সামরিক বিভাগে প্রকৌশলী পদে নিয়োগ লাভ করেন। এ সময়েই তিনি তার বিশ্বখ্যাত চিত্রকর্ম মোনালিসা অঙ্কন করেন। জীবনের শেষকাল তিনি ফ্রান্সে কাটান। ১৫১৯ সালের ২ মে এই মহান শিল্পী মৃত্যুবরণ করেন।

৬। ম্যারিলন স্যাভেন্ট--


আইকিউ স্কোর- ১৯০
ম্যারিলন ভস স্যাভেন্টের [Marilyn Vos Savant ] জন্ম ১৯৪৬ সালের ১১ আগস্ট। আমেরিকায় জন্মগ্রহণকারী এই নারীর আইকিউ স্কোর ১৯০। শীর্ষ দশের তালিকায় তিনিই প্রথম নারী। সে হিসেবে নারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বুদ্ধিমান বলা যেতে পারে ম্যারিলন স্যাভেন্টকে। তিনি আমেরিকান একজন ম্যাগাজিন কলামিস্ট, লেখক, লেকচারার এবং নাট্যকার হিসেবে দারুণ খ্যাতি অর্জন করেছেন। ছোটবেলায় তিনি তার বাবার সঙ্গে দোকানে কাজ করতেন। আর তখন থেকেই বই আর সংবাদপত্র পড়ুয়া হিসেবে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন তিনি। এর পর স্থানীয় একটি সংবাদপত্রে কাজ করার সুযোগ হয় তার। অল্প দিনেই ধাঁধা বা পাজল তৈরি ও সমাধানে তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৮৫ সালে নারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ আইকিউ স্কোরার হিসেবে গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখান তিনি।

৫। গ্যারি ক্যাসপারভ-- 


আইকিউ স্কোর- ১৯৪
গ্যারি ক্যাসপারভের [Garry Kasparov] জন্ম রাশিয়ায় [তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন]। তার আইকিউ স্কোর ১৯৪। তিনি মূলত একজন রাশিয়ান দাবাড়ু। দাবায় সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন গ্যারি ক্যাসপারভ একজন আন্তর্জাতিক গ্রান্ডমাস্টারও বটে। এর বাইরেও তার আরও কিছু পরিচয় রয়েছে। দাবা খেলার বাইরে তিনি একজন লেখক, রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্টও বটে। ছোটবেলা থেকেই তিনি দাবা খেলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে যখন তার বাবা-মা তাকে দাবা সংক্রান্ত কঠিন কঠিন সমস্যার মুখোমুখি করেন তখনই তিনি সিরিয়াসলি খেলা শুরু করেন। তার প্রশিক্ষণ শুরু হয় ১১ বছর বয়সে। ১৩ বছর বয়সেই তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের জুনিয়র দাবায় চ্যাম্পিয়ন হন। ১৯৮৫ সালে তিনি তার জীবনের প্রথম টাইটেল জয় করেন। মস্কোতে সেবার তিনি ১২.৫ পয়েন্ট পেয়ে চ্যাম্পিয়ন হন। ২০০৫ সালের ১০ মার্চ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক দাবা থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

৪। কিম অং ইয়ং-- 


আইকিউ স্কোর- ২১০
কিম অং ইয়ং [Kim Ung-Yong]--এর জন্ম ১৯৬২ সালের ৮ মার্চ কোরিয়ায়। ২১০ আইকিউ স্কোরধারী এ মানুষটিও একেবারে শিশুকাল থেকেই নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। অসামান্য মেধাবী কিম অং ইয়ং মাত্র ২ বছর বয়সেই কোরিয়ান, জাপানি, জার্মান এবং ইংরেজি ভাষায় দারুণ পারদর্শিতা অর্জন করেন। কিম অং ইয়ংয়ের সবচেয়ে বড় মেধা হচ্ছে তিনি মাত্র এক মাসেই যে কোনো বিদেশি ভাষা আয়ত্ত করে ফেলতেন। মাত্র ৪ বছর বয়সে তিনি ইউনিভার্সিটিতে যোগ দেন। তখন থেকেই তিনি জটিল ডিফারেনশিয়াল এভিআই ইন্টিগ্রাল ক্যালকুলাসের সহজ সমাধান দিয়ে দিতে পারতেন। আর মাত্র ৮ বছর বয়সেই তার ডাক আসে আমেরিকার নাসা থেকে। সেখানে তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন গবেষণামূলক কাজ করেন। গণিত, পদার্থবিদ্যা এবং বিদেশি ভাষায় এমন অসামান্য দক্ষতা প্রদর্শনকারী মানুষ পৃথিবীতে খুব কমই আছেন।

৩। ক্রিস্টোফার হিরাটা-- 


আইকিউ স্কোর- ২৫৫
টোরেন্স টাওয়ের মতো তার আইকিউ লেভেলও ২৫৫।ক্রিস্টোফার হিরাটার জন্ম ১৯৮২ সালের ৩০ নভেম্বর। তিনি পদার্থবিদ্যা এবং গণিতে সবিশেষ পারদর্শিতা অর্জন করেন। এ তালিকার অন্য মেধাবীদের মতো ক্রিস্টোফার হিরাটাও ছোটবেলা থেকেই তার অসীম মেধার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। তিনি যখন ১২ বছরের বালক তখনই তিনি পদার্থবিদ্যা এবং গণিতে তার কলেজে লেভেলের পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান অলিম্পিয়ার্ডে স্বর্ণপদক লাভ করেন। আর ১৬ বছর বয়সে তিনি মঙ্গল বিজয় সংক্রান্ত নাসার প্রজেক্টে কাজ শুরু করেন। এত অল্প বয়সে নাসার কোনো প্রকল্পে কাজ করার সুযোগ খুব কম মানুষই পেয়েছে। তিনি প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটি থেকে তার পিএইচডি সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে অ্যাস্ট্রো ফিজিঙ্রে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

২। টেরেন্স টাও—


আইকিউ স্কোর- ২৫৫
টেরেন্স টাও [ Terence Tao] আইকিউ স্কোরারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থান দখল করে আছেন।
উইলিয়াম জেমস সিডিসের মতো তিনিও গণিতে বিশেষ পারদর্শী। তার আইকিউ লেভেল হচ্ছে ২৫৫। একজন আধুনিক গণিতজ্ঞ হিসেবে গণিতের বিভিন্ন শাখায় তার অস্বাভাবিক রকমের পারদর্শিতা রয়েছে, যা তাকে অন্যান্য সাধারণ গণিতবিদ থেকে একেবারেই আলাদা করে রেখেছে। তিনি হারমনিক এনালাইসিস, পার্শিয়াল ডিফারেন্সিয়াল ইকুয়েশন, রামসি থিওরি, র্যা নডম ম্যাট্রিক্স থিওরিসহ অন্যান্য বিষয়ে সবচেয়ে বেশি পারদর্শী।তিনি বর্তমানে লস অ্যাঞ্জেলসে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ায় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। মাত্র দুই বছর বয়স থেকেই তার পাটিগণিত ও অন্যান্য গাণিতিক ক্ষমতা সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল। মাত্র ৯ বছর বয়সেই তিনি ইউনিভার্সিটি লেভেলের গাণিতিক সমস্যা সংক্রান্ত কোর্স শেষ করেন। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই তিনি বিএ এবং এমএ শেষ করেন।

১। উইলিয়াম জেমস সিডিস—


আইকিউ স্কোর- ২৫০-৩০০
আলবার্ট আইনস্টাইন-স্টিফেন হকিংদের ছাপিয়ে আইকিউ টেস্টে সর্বোচ্চ স্কোরের অধিকারী একেবারেই আনকোড়া একজন।
তিনি উইলিয়াম জেমস সিডিস। বিস্ময়কর হলেও সত্য তার আইকিউ লেভেল ২৫০-৩০০, যা রীতিমতো অস্বাভাবিক রকমের। ফলে এ মানুষটিকে মনে করা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান ব্যক্তি। খ্যাতিতে তার চেয়ে এগিয়ে অনেক বুদ্ধিমান বা মেধাবী থাকলেও আইকিউ স্কোরে তিনিই সবার সেরা।উইলিয়াম জেমস সিডিসের জন্ম ১৮৮৮ সালের ১ এপ্রিল। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের সাধারণ একটি পরিবারে জন্ম নেওয়া উইলিয়াম জেমস তার বুদ্ধিমত্তার ছাপ রাখেন একেবারে ছোটবেলা থেকেই। ছয় বছর বয়সে একটি গ্রামার স্কুলে ভর্তি হন তিনি। আর মাত্র সাত মাসে গ্রাজুয়েশন শেষ করেন। ১১ বছর বয়সে হার্ভার্ড চলে যান তিনি। আর পরিণত বয়সে পেঁৗছার আগেই বিশ্বের ৪০টি ভাষা তার দখলে ছিল। তিনি গণিতে সবচেয়ে বেশি পারদর্শী ছিলেন। হার্ভার্ডে তিনি কয়েকজন সাধারণ ছাত্র কর্তৃক শারীরিকভাবে নির্যাতিত হয়েছিলেন। যে কারণে তার পরিবারের পক্ষ থেকে উইলিয়াম জেমসের জন্য রাইস ইউনিভার্সিটি ইন টেঙ্াসে একজন টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টের চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু ছাত্রদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অসহনীয় পরিবেশ তাকে চাকরির ব্যাপারে হতাশ করে তোলে। শেষ পর্যন্ত তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। অসম্ভব রকম মেধাবী এই মানুষটি পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিকভাবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে উদ্যোগী হন। এর মধ্যেই ১৯৪৪ সালে তার মৃত্যু ঘটে। তার মৃত্যুর কারণ ছিল তার মস্তিষ্কের ক্ষতি-সংক্রান্ত বিষয়। একই কারণে তার বাবারও মৃত্যু হয়েছিল।

Sources ::

1.Wikipedia 
2.Google Images & Web
May 09, 2017

শনির চাঁদে প্রাণের সম্ভাবনা- বলছে নাসা



নির বরফাবৃত চাঁদ এনসেলাডাসে প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে ভাবছেন নাসার গবেষকেরা। পৃথিবীতে গভীর সাগরে প্রাণ টিকে থাকার জন্য যেমন পরিবেশ দরকার তেমন পরিবেশ এনসেলাডাসের সাগরেও ঘটতে পারে বলে তারা ধারণা করেন।এই তথ্য জানানো হয় সম্প্রতি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায়। প্রাণ টিকে থাকার জন্য কিছু রাসায়নিক বিক্রিয়া জরুরী যারা হাইড্রোজেন অণুর উপস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। এই হাইড্রোজেন সম্ভবত এনসেলাডাসের সাগরের উত্তপ্ত জল এবং পাথরের মাঝে বিক্রিয়া থেকে অনবরত উৎপন্ন হচ্ছে। হাইড্রোজেনের এই সহজলভ্যতা এবং পূর্বে পাওয়া কার্বোনেটের উপস্থিতি থেকে ধারণা করা যায় এনসেলাডাসে রয়েছে প্রাণ টিকিয়ে রাখার মত কোনো একটি রাসায়নিক শক্তির উৎস, জানান জেফ্রি সিওয়াল্ড। তিনি এই গবেষণার সাথে জড়িত ছিলেন না, তবে এ নিয়ে একটি রচনা লেখেন সায়েন্স জার্নালের একই পর্বে।৩১৩ মাইল চওড়া এনসেলাডাস শনির চাঁদগুলোর মাঝে ষষ্ঠ বৃহত্তম। কিন্তু অ্যাস্ট্রোবায়োলজিস্টদের চিন্তায় সে রয়েছে ২০০৫ সাল থেকেই। সেই বছরে শনিকে প্রদক্ষিণ করতে থাকা নাসার ক্যাসিনি মহাকাশযান এনসেলাডাসের দক্ষিণ মেরু থেকে বরফপানির ফোয়ারা উঠতে দেখে। গবেষকেরা ধারণা করেন, এই চাঁদের জমাট পৃষ্ঠের নিচে থাকা বিশাল এক সাগর থেকে উঠে আসছে জলের এই ফোয়ারা। হ্যাঁ, জল আছে এনসেলাডাসে, যাকে প্রাণের উপস্থিতির অন্যতম এক শর্ত বলেই জানি আমরা। আর এই নতুন গবেষণা বলছে এর পাশাপাশি সেখানে একটি শক্তির উৎসঅ থাকতে পারেন। সান অ্যান্টনিওর সাউথওয়েস্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (SwRI) গবেষক হান্টার ওয়েইট এবং তার দল অক্টোবর ২০১৫ এ ক্যাসিনির পর্যবেক্ষণ করা তথ্য বিশ্লেষণ করেন। ক্যাসিনি এ সময়ে একটি ফোয়ারার ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে। এনসেলাডাসের পৃষ্ঠের ৩০ মাইল দূরত্ব পর্যন্ত সে যেতে পারে। এ সময়ে ক্যাসিনির আয়ন অ্যান্ড নিউট্রাল মাস স্পেকট্রোমিটার ব্যবহার করা হয় এই ফোয়ারায় হাইড্রোজেনের পরিমাণ মাপার জন্য। দেখা যায়, এই ফোয়ারার আয়তনের ০.৪ থেকে ১.৪ শতাংশ ছিল হাইড্রোজেন। ফোয়ারার ০.৩ থেকে ০.৮ শতাংশ ছিল কার্বন ডাই অক্সাইড।গবেষণা থেকে তারা ধারণা করেন এনসেলাডাসের ভেতরে উত্তপ্ত জল ও পাথরের মাঝে বিক্রিয়ায় তৈরি হচ্ছে এই হাইড্রোজেন। অন্যান্য সম্ভাব্য তত্ত্ব বিশ্লেষণ করার পর এই সম্ভাবনাটাই তাদের কাছে সবচাইতে যুক্তিযুক্ত মনে হয়। ২০১৬ সালে আরেকটি গবেষক দলের কিছু তথ্যের সাথেও এই তত্ত্ব সঙ্গতিপূর্ণ। তারা বলেছিল ক্যাসিনির শনাক্ত করা ক্ষুদ্র সিলিকার কণা শুধুমাত্র গভীর জলে উত্তাপের মাঝেই তৈরি হওয়া সম্ভব। গভীর জলে উত্তপ্ত পরিবেশে প্রাণের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষকেরা এত উৎসাহিত কেন? কারন পৃথিবীর ডিপ-সি হাইড্রোথার্মাল ভেন্টগুলো প্রচুর পরিমাণে জীবনের শক্তি যোগায়। এসব জায়গায় বেশীরভাগ মেটাবলিজম হয় মিথেনোজেনেসিস ধরণের। এক্ষেত্রে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং হাইড্রোজেনের বিজারণে তৈরি হয় মিথেন। এই গবেষণায় ধারণা করা হচ্ছে এনসেলাডাসেও একই ধরণের বিক্রিয়া ঘটছে।তবে এসবই এখনো ধারণা। আসলেই এনসেলাডাসে এই বিক্রিয়া ঘটছে কিনা তা জানার উপায় নেই। আর এখানে প্রাণ আছেই, জোর দিয়ে সেটাও বলা যাচ্ছে না। এর জন্য দরকার শক্ত প্রমাণ এবং আরও অনেক তথ্য।। 

SOURCE: LIVE SCIENCE

©Arjo4all.blogspot.in

Monday, 8 May 2017

May 08, 2017

“আমি যাই, রেখে যাই, মোর ভালোবাসা।’ || জন্মদিন


জন্মদিন

রবিপ্রদক্ষিণপথে জন্মদিবসের আবর্তন
           হয়ে আসে সমাপন।
                 আমার রুদ্রের
                 মালা রুদ্রাক্ষের
           অন্তিম গ্রন্থিতে এসে ঠেকে
           রৌদ্রদগ্ধ দিনগুলি গেঁথে একে একে।
     হে তপস্বী, প্রসারিত করো তব পাণি
                  লহো মালাখানি।
উগ্র তব তপের আসন,
           সেথায় তোমারে সম্ভাষণ
           করেছিনু দিনে দিনে কঠিন স্তবনে,
কখনো মধ্যাহ্নরৌদ্রে কখনো-বা ঝঞ্ঝার পবনে।
          এবার তপস্যা হতে নেমে এসো তুমি–
            দেখা দাও যেথা তব বনভূমি
ছায়াঘন, যেথা তব আকাশ অরুণ
          আষাঢ়ের আভাসে করুণ।
অপরাহ্ন যেথা তার ক্লান্ত অবকাশে
     মেলে শূন্য আকাশে আকাশে
বিচিত্র বর্ণের মায়া; যেথা সন্ধ্যাতারা
                  বাক্যহারা
              বাণীবহ্নি জ্বালি
নিভৃতে সাজায় ব’সে অনন্তের আরতির ডালি।
            শ্যামল দাক্ষিণ্যে ভরা
              সহজ আতিথ্যে বসুন্ধরা
                 যেথা স্নিগ্ধ শান্তিময়,
   যেথা তার অফুরান মাধুর্যসঞ্চয়
                 প্রাণে প্রাণে
বিচিত্র বিলাস আনে রূপে রসে গানে।
বিশ্বের প্রাঙ্গণে আজি ছুটি হোক মোর,
                  ছিন্ন করে দাও কর্মডোর।
                  আমি আজ ফিরব কুড়ায়ে
উচ্ছৃঙ্খল সমীরণ যে কুসুম এনেছে উড়ায়ে
            সহজে ধুলায়,
           পাখির কুলায়
      দিনে দিনে ভরি উঠে যে-সহজ গানে,
আলোকের ছোঁওয়া লেগে সবুজের তম্বুরার তানে।
               এই বিশ্বসত্তার পরশ,
স্থলে জলে তলে তলে এই গূঢ় প্রাণের হরষ
            তুলি লব অন্তরে অন্তরে–
সর্বদেহে, রক্তস্রোতে, চোখের দৃষ্টিতে, কণ্ঠস্বরে,
            জাগরণে, ধেয়ানে, তন্দ্রায়,
   বিরামসমুদ্রতটে জীবনের পরমসন্ধ্যায়।
         এ জন্মের গোধূলির ধূসর প্রহরে
                  বিশ্বরসসরোবরে
         শেষবার ভরিব হৃদয় মন দেহ
   দূর করি সব কর্ম, সব তর্ক, সকল সন্দেহ,
           সব খ্যাতি, সকল দুরাশা,


বলে যাব, “আমি যাই, রেখে যাই, মোর ভালোবাসা।’